পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কুমিল্লার আদর্শ সদর আমড়াতলী ইউনিয়নের তৈলকুপি গ্রামে কবরবাসীদের স্মরণে খতমে কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে তৈলকুপি গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন এলাকার ৫৩ জন খতিব ও আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। তারা খতমে কোরআন তেলাওয়াত শেষে কবরবাসীদের রূহের মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
তৈলকুপি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মো. কাউছার বিন তৌহিদুর রহমান জিহাদীর পরিচালনায় এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটের বিয়ানীবাজার কামিল মাদ্রাসার মুদ্দাসসির আশিক উল্লাহ, আড়াইবাড়ি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম এবং কুমিল্লা চকবাজার আলিয়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস শাহ মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাকশীমুল ইসলামিয়া সুন্নিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মফিজুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মাওলানা তাজুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার আলেম-ওলামা ও খতিবগণ।
অনুষ্ঠানে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান, সমাজসেবক সুলতান আহমদ, হানিফ মিয়া, আনু মিয়া সর্দার, ডা. মোস্তফা, আব্দুল আলিম, শাকিল আহমেদ, মানিক মিয়া, জালাল উদ্দিন, আব্দুল গনি মিয়া, মুসা মিয়া, কাতার প্রবাসী শরীফ উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
খতমে কোরআন শেষে শিদলাই দরবার শরীফের পীর আলহাজ মাওলানা রুহুল আমিন কবরবাসীদের রূহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।
ধর্মীয় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মৃত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা এবং কবর জিয়ারত করা মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির রূহের মাগফিরাত কামনা করা যায় এবং আল্লাহর রহমত লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এছাড়া তারা পিতা-মাতার হক, স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব, কবরের হেফাজত এবং আলেমদের সম্মান করার গুরুত্ব নিয়েও কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করেন।
