নিউইয়র্ক সিটি থেকে ফিলাডেলফিয়ার লিঙ্কন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড স্টেডিয়ামে পৌঁছাতে সাধারণত দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে। তবে বিশ্বকাপের ব্যস্ততা এবং সপ্তাহান্তের অতিরিক্ত যানজটের কারণে এবার সেই পথ পাড়ি দিতে সময় লেগেছে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি।
স্টেডিয়ামের কয়েক কিলোমিটার আগে থেকেই ব্রাজিলের সমর্থকদের সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে। পাশাপাশি হাইতির সমর্থকরাও নিজেদের দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানাতে জড়ো হন। শক্তির বিচারে ব্রাজিল স্পষ্ট ফেবারিট হলেও হাইতির সমর্থকদের কণ্ঠে ছিল চমক দেখানোর প্রত্যয়। অনেকেই বলেন, “আমরা আজ জিততে চাই। হাইতির জয় দেখতেই স্টেডিয়ামে এসেছি।”
অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের প্রত্যাশা, দলটি বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে যাবে। তাদের ভাষায়, *“আজ অনেক গোলের জয় চাই। গোল ব্যবধান বাড়িয়ে শীর্ষে ওঠাই লক্ষ্য।”*
ফিলাডেলফিয়ায় দিনের তাপমাত্রা বেশ বেশি থাকলেও দুই দলের সমর্থকদের গান, স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে স্টেডিয়াম এলাকার পরিবেশ ছিল প্রাণবন্ত। সংখ্যায় ব্রাজিল সমর্থকরা অনেক বেশি হলেও হাইতির সমর্থকরাও উদ্দীপনায় কোনো অংশে পিছিয়ে ছিলেন না।
এদিকে স্টেডিয়ামে প্রবেশের পর মিডিয়া সেন্টার খুঁজে পেতে সাংবাদিকদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ভলান্টিয়ারদের ভিন্ন ভিন্ন নির্দেশনায় এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক মিনিট আগে মিডিয়া ট্রিবিউনে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচ শুরুর আগে একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে মরক্কো ১-০ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে যায়। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে টিকে থাকতে ব্রাজিলের সামনে হাইতির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মরক্কোর শেষ ম্যাচও হাইতির বিপক্ষে হওয়ায় গোল ব্যবধানের হিসাব ব্রাজিলের জন্য বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে।
