Spread the love

সংবিধান কখনো ‘সংস্কার’ হয় না, বরং এটি রহিত, স্থগিত বা সংশোধন করা হয়—এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অনেক ‘লেজিসলেটিভ ফ্রড’ বা আইনি প্রতারণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্ট ইতোমধ্যে কিছু অংশ অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “বাকি অংশগুলো এই সার্বভৌম সংসদই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাতিল বা সংশোধন করবে। বিশেষ করে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর তফসিলে যে ভুল ইতিহাস ও তথাকথিত স্বাধীনতার ঘোষণা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা বিলুপ্ত করা প্রয়োজন।”

স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট থেকে প্রোভিশনাল হেড অব স্টেট হিসেবে ঘোষণা দেন। এটিই প্রকৃত ইতিহাস, যা আমরা সংবিধানে ফিরিয়ে আনতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগ হয় সংসদের মাধ্যমে। এ সময় তিনি ১০০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ প্রবর্তনের কথাও জানান, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব করবে।

এ বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

By তালাশ বাংলা ডেস্ক

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়