কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার একটি খালে অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ অবশেষে অপসারণ করা হয়েছে।বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হয়।
জানা যায়, উপজেলার বাকশিমুল ও যদুপুর গ্রামের মাঝামাঝি একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর রাতের আঁধারে একটি দুর্বৃত্ত চক্র অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে। এতে খালের পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয় এবং তারা দ্রুত বাঁধ অপসারণের দাবি জানান।
পরে বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সোনিয়া আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবৈধ বাঁধ কেটে অপসারণ করেন এবং খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা নেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, খালটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। বাঁধ অপসারণ করায় তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, বাঁধটি বহাল থাকলে বর্ষাকালে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতো।
বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, “খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
জানা যায়, উপজেলার বাকশিমুল ও যদুপুর গ্রামের মাঝামাঝি একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর রাতের আঁধারে একটি দুর্বৃত্ত চক্র অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে। এতে খালের পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয় এবং তারা দ্রুত বাঁধ অপসারণের দাবি জানান।
পরে বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সোনিয়া আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবৈধ বাঁধ কেটে অপসারণ করেন এবং খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা নেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, খালটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। বাঁধ অপসারণ করায় তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, বাঁধটি বহাল থাকলে বর্ষাকালে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতো।
বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, “খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
