Spread the love

নোয়াখালীবাসী বিভাগ চায়, সিটি করপোরেশন চায়। আমরা ক্ষমতায় গেলে ইনসাফের মাধ্যমে আপনাদের এই প্রাণের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন অঙ্গীকার করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জামায়াত আমির বলেন, নোয়াখালী বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের দাবির পাশাপাশি হাতিয়া-কোম্পানীগঞ্জ-সুবর্ণচর নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, কোম্পানীগঞ্জ-ছোট ফেনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ এবং সোনাপুর থেকে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে, তাদের হাতে যদি দেশ যায়, তাহলে ভালোবাসার একটি দেশ তৈরি করা সম্ভব। যারা ভালোবাসতে পারেননি, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন। যাদের হাতে দেশের জনগণ নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার পর তাদের কাছে দেশ আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।

জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে, তাই সারা বাংলায় মারদাঙা জোয়ার উঠেছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। আমরা যেখানে যাচ্ছি সেখানে মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাইযোদ্ধা যুবসমাজ মুখিয়ে আছে ১৩ তারিখ থেকে নতুন এক বাংলাদেশ দেখার জন্য। যুবকরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে তারা কি আধিপত্যবাদের পক্ষ নিবে, নাকি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তাদের পক্ষ নেবে। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাইয়ের যে চেতনা যে আকাঙ্ক্ষা কাদের দ্বারা বাস্তবায়ন হবে।
এ সময় তিনি নোয়াখালীর ৬টি আসনে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দেয়ার অনুরোধের পাশাপাশি বিজয় নিয়ে ঘরে ফেরার অনুরোধ জানান। পরে আমির নোয়াখালীর ৬ আসনের জামায়াতের চারজন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ১১দলীয় জোটের পক্ষের দুইজন প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি তুলে দেন এবং জনসভায় অংশ নেয়া মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেন।

By তালাশ বাংলা ডেস্ক

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *