বুড়িচং

বুড়িচংয়ে নূরে মুজাসসাম (সা.) সুন্নিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় দোয়া ও পুরস্কার বিতরণ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মহিষমাড়ায় নূরে মুজাসসাম (সা.) সুন্নিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেনের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, বার্ষিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত ও ইসলামি সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

পরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বর্ণাঢ্য জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা করেন মাহফিলের প্রধান ও বিশেষ বক্তারা। বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও মুক্তি লাভ সম্ভব। কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মাদ্রাসাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল জানাজার নামাজ আদায়ের নিয়ম, সহিহ-শুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত, ইসলামি সংগীত, হামদ-না’ত, বাংলা বক্তব্য, ইংরেজি বক্তব্য ও আরবি বক্তব্যসহ বিভিন্ন ইভেন্ট।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন কুয়েত প্রবাসী ও সমাজসেবক মোঃ ডালিম ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজির ইনস্ট্রাক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল জলিল ভূঁইয়া,হাজী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন,মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া, আব্দুল মান্নান মেম্বার, নুরুল ইসলাম,বশিরুল হক ভূঁইয়া, আবু ইউসুফ, বাবুল সরদার,গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, তোফাজ্জল হোসেন, খোরশেদ আলম আর্মি, মাওলানা মোঃ হাবিব বিন আবদুল হক হানিফ,মোঃ সায়েদ আলী, আবুল হাসেম, শাহজাহান,খাইরুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন।

এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে হামদ-না’ত, কিরাত, গজলসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনীতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া রাকিব বলেন, “এ মাদ্রাসাটি ভবিষ্যতে দেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করবে, ইনশাআল্লাহ।”