ব্রাহ্মণপাড়া

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযান, মাদকসহ গ্রেপ্তার ৮

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ভারতীয় তৈরি আট বোতল হুইস্কিসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী মাদক বিক্রেতা, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুবলীগের নেতা, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশু, একজন পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং মাদক সেবনের দায়ে সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো তিনজন রয়েছেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রূপম কুমার সরকার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শশীদল ইউনিয়নের হরিমঙ্গল বাজার থেকে ব্রাহ্মণপাড়া সড়কের পাশে অভিযান চালায়। এ সময় মোখলেস নামের এক ব্যক্তির কৃষিজমিতে পানি সেচের ডিপকল সংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে আট বোতল ভারতীয় তৈরি হুইস্কিসহ রুমা আক্তার (৩০) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেতুভূমি বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা।

একই দিন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার পলাতক আসামি ফারুক আহম্মেদ (৪২) এবং মামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশুকে আটক করা হয়। ফারুক আহম্মেদ দক্ষিণ তেতাভূমি মাদ্রাসাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। শিশু দুটির বাড়ি উপজেলার দুলালপুর এলাকায়।

এ ছাড়া মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এএসআই মো. নুর আল আহসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি উপজেলার দধিখোলা উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

একই দিনে এসআই মো. মাহতাব হোসাইন ও এএসআই মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে আমজাদ হোসেন (৫৪), শরীফুল ইসলাম (২৪) ও মো. হেলালকে (২৮) আটক করা হয়। পরে তাঁদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়।

ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক এসব অভিযানে মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।