প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে বুড়িচংয়ে ১,৭৭৮ কৃষক পেলেন প্রণোদনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ১ হাজার ৭৭৮ জন কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মিস রুজি আক্তার, কৃষি মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মোঃ কামরুল ইসলাম খান, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক আজিজুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাবলিহা আনবার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিনা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ওয়ালী উল্লাহ, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের হাসান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রাসেল সারওয়ার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বশির আহমেদ।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম সাইফুল ইসলাম টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির বাবুল, মো. আবু নাছের মুন্সি, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. ছাদেকুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি সানা উল্লাহ মোল্লা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ কাউছার সবুজ, সদস্য সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন দোলন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভূইয়া এবং বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা সুবিধাভোগী কৃষক-কৃষানীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খাড়াতাইয়া ব্লকে মোট কৃষকের সংখ্যা ১ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৩৬৩ ও নারী ৪৪৯ জন। শ্রেণিভেদে ভূমিহীন কৃষক ২৫০, প্রান্তিক ৮৮১, ক্ষুদ্র ৬৫১ এবং মাঝারি কৃষক ৩০ জন।
কৃষকের ধরন অনুযায়ী ফসল আবাদকারী ১ হাজার ৭৮২ জন, মৎস্য খামারি একজন, প্রাণিসম্পদ খামারি ১৬ জন এবং প্রাণিসম্পদ পালনকারী ১৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৭৮ জন কৃষককে কৃষি প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে।
