অপরাধ তালাশ

কুমিল্লায় নিহত যুবদল নেতা কাউসারকে দেখতে গেলেন কৃষিমন্ত্রী ও সিটি প্রশাসক

কুমিল্লা নগরীর কাপ্তান বাজারে নিহত যুবদল নেতা মো. আবু কাউছারের মরদেহ দেখতে গেছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে তাঁরা কাপ্তান বাজারে কাউছারের মরদেহের পাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। এ সময় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন তাঁরা। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশকে নির্দেশনা দেন।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত কাউছার কুমিল্লা নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাউছারের বন্ধু শামীমের একটি জমি নিয়ে স্থানীয় তৌহিদ ও তানজিলের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে শুক্রবার উভয় পক্ষের মধ্যে সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে অংশ নিতে ছত্রখিল এলাকায় যান কাউছার।

এ সময় তৌহিদ, তানজিলসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা কাউছার ও তাঁর সঙ্গে থাকা অটোরিকশাচালককে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে কাউছার গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কুমিল্লা মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব বলেন, তৌহিদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে জমির দালালি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কাউছারকে হারিয়ে যুবদল একজন কর্মী ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিকে হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিপ্লব।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কাউছারকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।