জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল অন্য সব দলকে বিলুপ্ত করে নিজের পেটের ভেতর নিয়ে নিয়েছে। সেই দলের শীর্ষ নেতা তার প্রথম জনসভা শুরু করেছেন সমালোচনা দিয়ে। এখন বলা হচ্ছে, তাহাজ্জুদের পরে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে। তাহাজ্জুদের পর সীল মারার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা মূলত ভোটকেন্দ্র দখলেরই পাঁয়তারা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের সূত্র ধরেই তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “ইনশাল্লাহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা সব ষড়যন্ত্র রুখে দেবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা অপেক্ষা করবো। আমরা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেব, যেন আমাদের বোনেরা-মায়েরা ও সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারেন।”
তিনি আরও বলেন, “যারা ভোটে বাধা সৃষ্টি করবে, যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
১১ দলীয় জোট প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা ১০ দল থেকে ১১ দলে উপনীত হয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে সবাই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের কাতারে চলে আসবে। আমরা দরজা খোলা রেখেছি।”
তিনি বলেন, “সংস্কার, সুশাসন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে দেশপ্রেমিক ও ইসলামপ্রেমিক শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্যই দেশ রক্ষায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ দেখাবে।”
পদযাত্রা কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখপাত্র ও ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী এবং রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান আল বান্নাহসহ জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
