মাদারীপুরে যাত্রীবাহী একটি বাস-ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এতে যাত্রীবাহী বাসের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উপজেলার ঘটকচরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও দুজন পুরুষ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মাদারীপুর শহরের শকুনি এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সীর ছেলে পান্নু মুন্সী (৫০) ও কুনিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার জসিম বেপারীর ছেলে সাগর (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মাদারীপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের উপজেলার ঘটকচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে আরো তিনজন মারা গেছে। ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ বলেন, এই দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন মারা গেছে। বাকি ছয়জনের মধ্যে তিনজন বাসের নিচে চাপা পড়েছে। আর তিনজন ডোবার পানিতে পড়ে মারা গেছে।
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, রেকার দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পাড়ে তোলা হয়েছে।
পুরো ডোবা তল্লাশি শেষ হলে ভেতরে আরো কোনো মরদেহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পানিতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
