ফটো গ্যালারি

বাঁশ দিয়ে তৈরি করেন ৫২টি পণ্য;কুটির শিল্পকে বাঁচাতে ৪০ বছর ধরে শাহ জামালের সংগ্রাম!

একজন মোহাম্মদ শাহ্ জামাল। তিনি কুমিল্লা আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটসের স্বত্ত্বাধিকারী।সংগ্রামের আগ থেকে তার প্রয়াত বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেমের হাত ধরেই বুড়িচংয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী আনন্দপুর এ শিল্প বিস্তার লাভ করে। এই শিল্পকে বাঁচাতে পরিবারের হাল ধরতে কুটির শিল্পকে বাঁচাতে ৪০ বছর ধরে শাহ জামালের সংগ্রাম করছেন। তিনি আবারও ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে দিতে চান তার বাঁশের শো-পিস।চলতি সাপ্তাহে শাহ্ জামালের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, রঙতুলি দিয়ে বাড়ির মাটির ঘরে বিশ্ব কবি রবিদ্রনাথ ঠাকুরের ছবি আল্পনা দিয়ে আঁকছেন এবং আল্পনা দিয়া আঁকানো ওয়ালমেট উঠোনে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। পাশে কাজ করছেন তার ভাই,প্রতিবেশীরা আরও কয়েকজন কর্মচারী। কলমদানি আর ফুলদানি তৈরি করতে বাঁশ ছোট টুকরো করে কাটা হয়েছে। আগুন দিয়ে বাঁশে সেঁক দেওয়া হচ্ছে। সেই বাঁশ ঘষে পরিষ্কার করা হয়। তার ওপরে নানা রঙের ডিজাইন। হাত দিয়ে সব যত্ন সহকারে করা হচ্ছে। মাটির ঘরে বেতবোনার মেশিন। পাশে উৎপাদিত টেবিল ল্যাম্প, ফুলদানি, কলমদানি, ওয়ালমেট, ক্যালেন্ডার, দরজা-জানালার পর্দার সারি।বর্তমানে এই কুটির শিল্প পুঁজি ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে প্রযুক্তি থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে, যার কারণে উৎপাদনও বেশ কমে গেছে।ছবিঃ তালাশ বাংলা